সাহড়দায় ‘ পিংলা থানার স্বাধীনতা আন্দোলন ‘ বইটির উদ্বোধন

২৪ ঘন্টা খাসখবর,  নিরঞ্জন দোলই : ব্রিটিশদের ভারতবর্ষ থেকে বিতাড়িত করতে বীর শহীদদের প্রাণ বলিদান দিতে হয়েছে |পরাধীনতার শৃংখল মুক্ত করতে ভারতবাসীর আত্মত্যাগ আমাদের হৃদয় বিদীর্ণ করে | তাদের আত্মত্যাগের ফলস্বরূপ আমরা দেশ স্বাধীনতার স্বাদ গ্রহণ করছি | সেই অমর বীর শহীদদের কীর্তি কাহিনী ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে খোদাই করা আছে | ঐরকমই এক বিপ্লব তীর্থের মাটি হল অবিভক্ত  মেদিনীপুরের পিংলা থানার খিরাই গ্রাম।

‘ পিংলা থানার স্বাধীনতা আন্দোলন ‘ আনুষ্ঠানিকভাবে বইটি প্রকাশিত হলো পিংলা থানার সাহড়দা কালিপদ বিদ্যাপীঠের অনুষ্ঠান কক্ষে | স্বাগত ভাষণে ওই বইটির লেখক বাজকুল মিলনী মহাবিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড : গোবিন্দ প্রসাদ কর বলেন , অবিভক্ত মেদিনীপুরের মাটি বিপ্লব তীর্থের মাটি | এই বিপ্লব তীর্থের অনন্য থানা পিংলা থানা |  পিংলা থানার খিরাই গ্রামে ১৯৩০ সালে ১০ জুন বড়পুকুর সংলগ্ন চৌকিদারী ট্যাক্স বিরোধী আন্দোলনে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে সাধারন মানুষের জীবন উৎসর্গীকৃত করার যে মহৎ অক্ষয় – অমর কীর্তি কাহিনীর দৃষ্টান্তের ইতিহাসের নজির গড়তে গবেষণা ধর্মী গ্রন্থ হিসাবে ভাবি প্রজন্মকে উৎসর্গীকৃত করা হল | যা গ্রন্থটি গবেষকদের নতুন দিশা দেখাবে |

‘ পিংলা থানার স্বাধীনতা আন্দোলন ‘ বইটির উদ্বোধক বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড :  সেবক কুমার জানা বলেন , স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে বিপ্লব তীর্থের ভূমির প্রকৃত মূল্যায়ন করতে বইটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হল | তিনি পিঙ্গলা বা পিংলা গ্রাম জনপদটির প্রাচীনত্তের সুপ্রাচীনকালের সভ্যতা ও সংস্কৃতির ইতিহাস উপস্থাপন করেন | যা ওই স্কুলের প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর নজর কারল |

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সাহড়দা কালিপদ বিদ্যাপীঠের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেবাশীষ ঘোড়াই , বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সভাপতি কমল মাইতি , ওই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক নিরঞ্জন কুমার বেরা, ডাক্তার ত্রিগুনা ঘোড়াই , ড: সন্তু ঘোড়াই , কালিপদ সামাই , ময়না ব্লকের সহ কৃষি অধিকর্তা আনন্দ শংকর সিংহ , কানাই জানা প্রমূখ | এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক – শিক্ষিকা , শিক্ষাকর্মী, ছাত্র-ছাত্রীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ |

 86 total views,  86 views today

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here