দৈবকৃপায় দুর্ভাগ্যের প্রতিকার

বিশ্ববাংলা সেরা সম্মান ২০১৮, মাদার টেরেজা স্মারক সম্মান ২০১৮,

 বঙ্গরত্ন গৌরব সম্মান ২০১৮ দ্বারা অলংকৃত

আচার্য্য শিবু শাস্ত্রী

আচার্য্য, শাস্ত্রী, প্রাক শাস্ত্রী, রাষ্ট্রীয় সংস্কৃত সংস্থানম

(ভারত সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক দ্বারা পরিচালিত)

জ্যোতিষ ভারতী, জ্যোতিষ শাস্ত্রী, জ্যোতিষ আচার্য, তান্ত্রিকাচার্য্য,

জ্যোতিষ এশিয়াশ্রী উপাধি প্রাপ্ত (স্বর্ণপদক প্রাপ্ত)

যোগাযোগ – ৯৮৩০২৯২১৭৪

Email : acharyashibusastri@gmail.com

কোনো কোনো মানুষের প্রায়ই বড় বড় দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। যতই সাবধানে থাকুক না কেন, দুর্ঘটনা যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে যায়। এই ধরণের ব্যক্তিরা সর্বদাই মনে একটা ভয় ভয় ভাব নিয়ে চলাফেরা করে থাকেন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এর প্রতিকার করানোর প্রয়োজন হয়। নীচে প্রতিকারের কথা উল্লেখ করা হলো। অতি নিষ্ঠা ভরে এই ক্রিয়া করলে আশা করা যায় এর দ্বারা উপকার পাওয়া সম্ভব হবে।

প্রতিকার – দুর্গাষ্টমী বা শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে এই ক্রিয়া করা প্রয়োজন। এই তিথিতে একটি ভূর্জ্জপত্রের উপরে নীচের দূর্গা যন্ত্রমটি লাল চন্দন, জাফরান, গোরোচন, অগুরু এবং শ্বেত চন্দন মিশ্রিত করে আঁকতে হবে। সকালে স্নান করে শুদ্ধ বস্ত্র ধারণ করে পূর্বদিকে মুখ করে বসে একটি ঘিয়ের প্রদীপ ও ধূপকাঠি জ্বেলে দিয়ে দেবী দুর্গাকে স্মরণ করে প্রথমেই “ওঁ হ্রীং দুং দুর্গায়ৈ নমঃ” এই মন্ত্রটি ১০৮ বার জপ করে নিতে হবে। অবশ্যই তন্ত্রমতে দিক্ষিত হতে হবে। জপের শেষে যন্ত্র আঁকা শুরু করতে হবে। যন্ত্রটি সোনায় নির্মিত নিব দ্বারা লিখতে পারলে অতি উত্তম, তবে তার অভাবে রূপার নিব দিয়েও লেখা যায়। যন্ত্র আঁকা হয়ে গেলে ভুজ্জপত্রটি ভাল করে শুকিয়ে নিতে হবে। এটি শুকিয়ে গেলে ভূর্জ্জপত্রটি একটি পাত্রে রেখে এর পূজা করতে হবে। পূজার জন্য কিছু জবা ফুল, পাঁচটি ধূপ এবং একটি লাল মোমবাতি, অল্প অগুরু এবং লাল চন্দন ও সাদা চন্দন এবং একটি ঘিয়ের প্রদীপ প্রয়োজন। সাধক অবশ্যই শুদ্ধবস্ত্র ধারণ করবেন। এবার ধূপকাঠি, মোমবাতি ও প্রদীপ জ্বেলে দিতে হবে। প্রথমেই আচমন করে “ওঁ হ্রীং দুং দুৰ্গায়ৈ নমঃ” এই মন্ত্রটি ১০৮ বার জপ করা প্রয়োজন। প্রতিবার জপের সাথে সাথে অল্প ফুল নিয়ে লাল চন্দন, সাদা চন্দন এবং অগুরুতে ডুবিয়ে যন্ত্রটির উপরে দিতে হবে। এভাবে এই ক্রিয়া ১০৮ বার করা প্রয়োজন। এই ক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে ভূর্জ্জপত্রটি ভাঁজ করে একটি মাদুলিতে ফুল সহযোগে ভরে মুখটি কাঁচা মোম দ্বারা বন্ধ করে দেওয়া প্রয়োজন।

এই পর্যন্ত সকল কাজ হয়ে যাওয়ার পরে একটি পাত্রে দুধ, দই, ঘি, মধু ও শর্করা দ্বারা পঞ্চামৃত প্রস্তুত করে নিতে হবে। এবার মাদুলিটি অপর একটি পাত্রে রেখে ওই পঞ্চামৃত দ্বারা “করোতু সা নঃ শুভহেতুরীশ্বরী। শুভানি ভদ্রাণাভিহত্ত চাপদঃ।।” এই মন্ত্র পাঠ দ্বারা ২৮ বার স্নান করাতে হবে। এরপর মাদুলিটি তুলে নিয়ে অপর একটি পাত্রে রেখে ধূপ ও দীপ দ্বারা আরতি করে লাল কারে ধারণ করা প্রয়োজন।

এটি যেকোনো দুর্ঘটনা রোধের জন্য মহা শক্তিশালী ক্রিয়া। যারা শক্তি মন্ত্রে দীক্ষিত এবং সন্ধ্যা আহ্নিক করেন তারা একমাত্র নিজেরা করার জন্য সচেষ্ট হবেন। অপর ব্যক্তি যাদের দীক্ষা নেওয়া নেই তারা শক্তি মন্ত্রে দীক্ষিত কোনো ব্রাহ্মণ পুরোহিত অথবা কোনো ভাল তন্ত্রাভিজ্ঞ ব্যক্তিকে দিয়ে করাবেন। আশাকরি এই ক্রিয়া আপনাকে বিপদের ভয় দূর করবে। আমি নীল শিবানন্দ নীল তারা মায়ের শ্রীচরণ সেবায় বলছি।

Loading